জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: দীর্ঘ ৩৩ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ছাত্র সংগঠন শিবির-সমর্থিত 'সম্মিলিত ছাত্রজোট'। নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতেই জয় লাভ করে তারা। তবে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণায় দু'দিনের বিলম্ব এবং কারচুপির অভিযোগে নির্বাচনটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, সাধারণ …
জাবি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিবির-সমর্থিত জোটের নিরঙ্কুশ জয়, ফল ঘোষণায় বিলম্ব ও অনিয়মের অভিযোগে বিতর্ক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: দীর্ঘ ৩৩ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ছাত্র সংগঠন শিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত ছাত্রজোট’। নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতেই জয় লাভ করে তারা। তবে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণায় দু’দিনের বিলম্ব এবং কারচুপির অভিযোগে নির্বাচনটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়ী হয়েছেন সম্মিলিত ছাত্রজোটের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম। অন্যদিকে, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে জয় লাভ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রশিদ জিতু।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার পরই এই বিতর্ক সামনে আসে। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার দুই দিন পর শনিবার সকালে ফল ঘোষণা করা হয়। ফল ঘোষণায় এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এরই মধ্যে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের চারজন সদস্য, যাদের মধ্যে প্রফেসর মাফরুহী সাত্তারও ছিলেন, অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগের বিষয়ে প্রফেসর মাফরুহী সাত্তার অভিযোগ করেন যে, ভোট গণনায় অস্বচ্ছতা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম হয়েছে, যার প্রতিবাদে তারা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছেন জয়ী জোটের প্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান। তিনি বলেন, প্রফেসর মাফরুহী সাত্তার তার ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় পদত্যাগ করেছেন।
সম্মিলিত ছাত্রজোটের বিশাল জয়ের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাছাস)-এর প্রার্থীরাও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় লাভ করেছেন। জাকসু’র এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসে একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ ছিল, তেমনি ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
Subscribe to Our Newsletter
Keep in touch with our news & offers








