অনলাইন ডেক্স:বিপিএলে রান–উৎসব চলছে। যেখানে ১৩০-১৪০ রানের সংগ্রহকে একসময় লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট মনে করা হতো, সেখানেই এখন ২০০ রান করেও জয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বোলারদের জন্য পরিস্থিতি যেন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। আর এর মধ্যে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালও নিজে বড় ইনিংস খেলে বোলারদের বিপাকে ফেলেছেন।
গতকাল দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ৪৮ বলে ৮৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তামিম। হয়তো সে কারণেই ম্যাচশেষে বোলারদের কথা ভেবে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক।
এবারের বিপিএলে শুরু থেকেই রান তুলতে পেরেছেন ব্যাটসম্যানরা। ঢাকা পর্বেই রেকর্ড গড়া হয়েছে। ৩ জানুয়ারি মিরপুরে বিপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তুলেছে চট্টগ্রাম কিংস—রাজশাহীর বিপক্ষে ২১৯ রান। ঢাকায় রান উঠলে সিলেটে তা আরও বাড়বে, সেটাই স্বাভাবিক।
সিলেট পর্বের প্রথম দিনেই সিলেট স্ট্রাইকার্স ২০৫ রান করে, যা রংপুর রাইডার্স ৬ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে তাড়া করে ফেলে। পরের ম্যাচে রাজশাহীর ১৬৮ রান বরিশালের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মতো স্কোরই হতে পারেনি। ভালো উইকেট, ব্যাটসম্যানদের মান, এবং ছোট বাউন্ডারি—এসব কারণ মিলিয়ে বিপিএলে রান উৎসবের এ চিত্র।
তামিম ইকবাল বাউন্ডারি বড় করার আহ্বান জানিয়েছেন। ম্যাচশেষে তিনি বলেন, “মাঠ ভালোভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বাউন্ডারি বড় দেখতে চাই। যখন জায়গা আছে, তখন ৫৮-৬০ মিটার বাউন্ডারি কেন হবে? আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৫-৭০ মিটার বাউন্ডারি থাকে। এটা বোলারদের জন্য কিছুটা সুবিধা দেয়। কারণ, উইকেট অনেক ভালো।”
তিনি আরও বলেন, কিউরেটরকে কৃতিত্ব দিতে হবে, তারা দারুণ উইকেট বানিয়েছে। তবে বাউন্ডারি বাড়ানো দরকার। কারণ, এই মুহূর্তে বোলারদের জন্য কিছুই নেই। আশা করি, কর্তৃপক্ষ আমার কথা শুনবে।
এখন পর্যন্ত ফরচুন বরিশাল বিপিএলে তিনটি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে দুটি জিতেছে। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে তামিম ইকবালের দল।







